কান্দে বিবি সোনাবান
মোহাম্মদ সোহরাব আজিজ
‘কইরে আমার সোনাধন, তোরা কই’,
কান্দে বিবি সোনাবান
বারে বারে হারায় গেয়ান,
বুকের ধনের কাল মরন
করিলো মোরে পাগলপ্রায়।
কইরে আমার সোনাধন,
কইরে তোরা কই।
ইনাতগঞ্জে শেষে নামে শোকের মাতম,
কদিন আগে মরিলো বাপ মিমধন,
বিদেশ থেকে আইলো মানিক
বাপের নামে জেয়াফতের শিরনি দিতে,
করবে কবর জিয়ারত,
মামুন নামের যমদুত,
কাইড়া নিলো জান,
মরা লাশ হইলো সোনাবানের বুকের ধন,
গনা গনা জনা সাতেক।
কইরে আমার বুকের ধন,
কইরে তোরা কই,
এ কেমন বিচার ওরে আল্লাহ তাআলার,
কাইরা নিলো আমার সোনার সংসার।
মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০১১
হিমেলের ইমেল
হিমেলের ইমেল এলো আষাঢের ভারী বর্ষণ কালে
মোহাম্মদ সোহরাব আজিজ
হিমেল কয় আপনি কেঠা!
আপনারেই চিনিনা আবার বন্ধুবান্ধবের খবর নিতে চান দয়াপরবশে/
জন্মের পর দেখিনি কোনো দিন থাকেন অচিন কোনো এক দুরদেশে /
দেশে আসেন না কেন হেসে হেসে ?
আসিবেন তবে একদিন আসিবেন দিনের শেষে অবশেষে !
"আসেন মিয়া আসেন
হিন্দু হোটেলে আসেন
এখানে মুসলমানদের জন্য গরুরমাস পাবেন/
যেমন করে পাবেন
মমিনের দোকানে আমেরিকান ভাইদের জন্য
নগ্ন ম্যাগাজিন,শুকরেরমাস "/
কন কি বাপ! আহা ! কি যে সর্বনাশ !
মোহাম্মদ সোহরাব আজিজ
হিমেল কয় আপনি কেঠা!
আপনারেই চিনিনা আবার বন্ধুবান্ধবের খবর নিতে চান দয়াপরবশে/
জন্মের পর দেখিনি কোনো দিন থাকেন অচিন কোনো এক দুরদেশে /
দেশে আসেন না কেন হেসে হেসে ?
আসিবেন তবে একদিন আসিবেন দিনের শেষে অবশেষে !
"আসেন মিয়া আসেন
হিন্দু হোটেলে আসেন
এখানে মুসলমানদের জন্য গরুরমাস পাবেন/
যেমন করে পাবেন
মমিনের দোকানে আমেরিকান ভাইদের জন্য
নগ্ন ম্যাগাজিন,শুকরেরমাস "/
কন কি বাপ! আহা ! কি যে সর্বনাশ !
বগার চর আমার বুকের পাঁজর
বগার চর
মোহাম্মদ সোহরাব আজিজ
"বগার চরের কাকডা জান
আম্মাজান আমার আম্মাজান
মায়ের পদধুলি আমার বেহেস্তের সমান/
বগার চর যার পর
আমি হেটে ছিলাম বছরের পর বছর
ঠোঁটে মাছ নিয়ে উড়ে যায় সাদা বগা
বন্ধুক হাতে পিছে দৌঁড়ে বড় কাগা /
বগার চর
আমার বুকের পাঁজর
বগার চর /"
প্রিয় দেশবাসী:
আমার সোনার বাংলা
আমাদের রক্তাক্ত বাংলাদেশ
আজ যেন এক অসহায় লাশ.
ভাইয়ের হাতে আরেক ভাই জিম্মি অসহায়
নিতিরিতির ধার ধারেনা নেতা কিম্বা জনতায়
মমতাময়ী মায়ের বুকে শুনি দুক্ষের দীর্গশ্বাস/
৭১ রের মুক্তিযুদ্ধের দোহাই
নিহত লাখো শহীদের রক্তের দোহাই
আমি বাংলার বুকে এবার শান্তি চাই,
নতুন প্রজন্মের দোহাই : আমরা দেশদ্রোহী রাজাকার নই,
দয়া করে দেশে ডালভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে চাই/
আমার বাবার দোহাই
আমার সোনার ছেলেদের নপুংশক করে দিওনা
প্রিয় দেশবাসী: তোমরা যে আমারই বাংলা মায়ের পেটের ভাই/
আমাদের রক্তাক্ত বাংলাদেশ
আজ যেন এক অসহায় লাশ.
ভাইয়ের হাতে আরেক ভাই জিম্মি অসহায়
নিতিরিতির ধার ধারেনা নেতা কিম্বা জনতায়
মমতাময়ী মায়ের বুকে শুনি দুক্ষের দীর্গশ্বাস/
৭১ রের মুক্তিযুদ্ধের দোহাই
নিহত লাখো শহীদের রক্তের দোহাই
আমি বাংলার বুকে এবার শান্তি চাই,
নতুন প্রজন্মের দোহাই : আমরা দেশদ্রোহী রাজাকার নই,
দয়া করে দেশে ডালভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে চাই/
আমার বাবার দোহাই
আমার সোনার ছেলেদের নপুংশক করে দিওনা
প্রিয় দেশবাসী: তোমরা যে আমারই বাংলা মায়ের পেটের ভাই/
নর্দমায় গলিত লাশ
বাংলার বুক চিরে
মোহাম্মদ সোহরাব আজিজ
মানুষ বিধাতার নিজ হাতে গড়া সেরা জীব
অথচ তাদের অস্তিত্ব আজ হয়েছে নিস্থর পরজীবি।
হেমা খাতুনের ধর্ষিত মরদেহ নর্দমায় গলিত লাশ
বন্ধ হয়ে আসে অনায়াসে আমার নিঃশ্বাস।
অথচ বাংলার মানুষের বুকের মাঝে গাথা জীবনেরই উত্সব,
তিলে তিলে ক্ষয় হয় প্রতিদিন বেচে থাকার বিঃশ্বাস।
মোহাম্মদ সোহরাব আজিজ
মানুষ বিধাতার নিজ হাতে গড়া সেরা জীব
অথচ তাদের অস্তিত্ব আজ হয়েছে নিস্থর পরজীবি।
হেমা খাতুনের ধর্ষিত মরদেহ নর্দমায় গলিত লাশ
বন্ধ হয়ে আসে অনায়াসে আমার নিঃশ্বাস।
অথচ বাংলার মানুষের বুকের মাঝে গাথা জীবনেরই উত্সব,
তিলে তিলে ক্ষয় হয় প্রতিদিন বেচে থাকার বিঃশ্বাস।
আবু তোরাব উচ্চবিদ্যালয়
আবু তোরাবে ১৩ নম্বর মৃত্যু সংকেত বাজে/
কিশোর কিশোরীদের খাদে ডোবা মরা লাশ/
মায়ানির বুকপাটা আর্তনাদ আর হাহুতাশ/
কবরের পর কবর খুঁড়ে আমার পাজরের মাঝে/
আবু তোরাব উচ্চবিদ্যালয়ের প্রায় ১০ জন ছাত্রী শোকে মূর্ছা গেছে।
আবু তোরাব বাজার আবু তোরাব উচ্চবিদ্যালয়
সৈদালি মায়ানী মগাটিয়া আর কৈয়ারছড়া গ্রামে
শোকের মাতম নামে
জীবনের প্রদীপ নিভে অতীব অকালে/
আবু তোরাব বাজার আর বড় তাকিয়া সংযোগ সড়ক
পাশের ডোবা হাহাকার রত
কাঁদে আজ দিবারত অনবরত
এই বুজি লিখা ছিলো আমার সোনামনিদের কপালে/
দুই গোলে জিতেছিল আবু তোরাব
আনন্দের মিছিল এখন মোড়া নিস্তব্দতার সাদা কাফনে/
মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ প্রতিধ্বনি তোলে বাংলার সরল জমিনে/
কিশোর কিশোরীদের খাদে ডোবা মরা লাশ/
মায়ানির বুকপাটা আর্তনাদ আর হাহুতাশ/
কবরের পর কবর খুঁড়ে আমার পাজরের মাঝে/
আবু তোরাব উচ্চবিদ্যালয়ের প্রায় ১০ জন ছাত্রী শোকে মূর্ছা গেছে।
আবু তোরাব বাজার আবু তোরাব উচ্চবিদ্যালয়
সৈদালি মায়ানী মগাটিয়া আর কৈয়ারছড়া গ্রামে
শোকের মাতম নামে
জীবনের প্রদীপ নিভে অতীব অকালে/
আবু তোরাব বাজার আর বড় তাকিয়া সংযোগ সড়ক
পাশের ডোবা হাহাকার রত
কাঁদে আজ দিবারত অনবরত
এই বুজি লিখা ছিলো আমার সোনামনিদের কপালে/
দুই গোলে জিতেছিল আবু তোরাব
আনন্দের মিছিল এখন মোড়া নিস্তব্দতার সাদা কাফনে/
মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ প্রতিধ্বনি তোলে বাংলার সরল জমিনে/
বাবা
আমায় একাকী ফেলে
বাবা তুমি আজ কোথায়? কোথায়?
আমার ছোট্ট বেলায় বাবা আমায় কাঁদে নিয়ে যেত মাকসুদাহ বিদ্যালয়ে
ফুর্তিতে কাটাতাম দিনমান হেসে খেলে অনায়াসে /
বাবার সফেদ পাঞ্জাবি টুপি আর সাদা দাড়ি
জাগাত কত আমার মনে স্বর্গীয় দ্যুতি,
বাবা তোমায় আর ফিরে পাবোনা জীবনে আমার
আমায় একাকী ফেলে
বাবা তুমি আজ কোথায়? কোথায়?
শীতের বিকেল বেলা
শেষ করে চৌর ডান্ডা খেলা
ডাকতেন বাবায়,
মাঠে গিয়ে পানি দিতাম মরিচের খেতে
বাপে আর বেটায়,
আমায় একাকী ফেলে
বাবা তুমি আজ কোথায়? কোথায়?
নিশীথ রাতের কালে বাপের বগলে শুয়ে
সুখের নিদ্রা যেতাম নিচচিন্তায়,
ফজরের আজানের ভোরে
বাবায় দিতেন ডাক
আয় বাবা উঠে আয় ,
আমায় একাকী ফেলে
বাবা তুমি আজ কোথায়? কোথায়?
বাবা তুমি আজ কোথায়? কোথায়?
আমার ছোট্ট বেলায় বাবা আমায় কাঁদে নিয়ে যেত মাকসুদাহ বিদ্যালয়ে
ফুর্তিতে কাটাতাম দিনমান হেসে খেলে অনায়াসে /
বাবার সফেদ পাঞ্জাবি টুপি আর সাদা দাড়ি
জাগাত কত আমার মনে স্বর্গীয় দ্যুতি,
বাবা তোমায় আর ফিরে পাবোনা জীবনে আমার
আমায় একাকী ফেলে
বাবা তুমি আজ কোথায়? কোথায়?
শীতের বিকেল বেলা
শেষ করে চৌর ডান্ডা খেলা
ডাকতেন বাবায়,
মাঠে গিয়ে পানি দিতাম মরিচের খেতে
বাপে আর বেটায়,
আমায় একাকী ফেলে
বাবা তুমি আজ কোথায়? কোথায়?
নিশীথ রাতের কালে বাপের বগলে শুয়ে
সুখের নিদ্রা যেতাম নিচচিন্তায়,
ফজরের আজানের ভোরে
বাবায় দিতেন ডাক
আয় বাবা উঠে আয় ,
আমায় একাকী ফেলে
বাবা তুমি আজ কোথায়? কোথায়?
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
